মহেশতলা রক্তদান শিবির: বিজেপি যুব মোর্চার উদ্যোগে ২০০-র বেশি মানুষের স্বেচ্ছায় রক্তদান
রাজ্যজুড়ে রক্তের সংকট মোকাবিলায় মহেশতলা রক্তদান শিবির এক মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করল। মহেশতলা ভারতীয় জনতা যুব মোর্চা (BJYM)-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবিরে সকাল থেকেই যুব সমাজ এবং সাধারণ মানুষের ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। দুপুরের মধ্যেই ২০০-র বেশি রক্তদাতা স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন।
মহেশতলা রক্তদান শিবিরে ২০০-র বেশি রক্তদাতার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ
শিবিরে অংশ নিতে সকাল থেকেই দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। বিপুল সংখ্যক রক্তদাতার উপস্থিতির কারণে নির্ধারিত সময়সীমা বাড়াতে বাধ্য হন আয়োজকরা। পাশাপাশি অতিরিক্ত রক্ত সংগ্রহের জন্য প্রয়োজনীয় রক্তের পাউচ ও অন্যান্য ব্যবস্থাও করা হয়। এই সাড়া প্রমাণ করে যে সমাজের প্রতি মানুষের দায়বদ্ধতা ও মানবিকতার অনুভূতি এখনও অটুট রয়েছে।
![]()
রক্তের সংকট দূর করাই ছিল মহেশতলা রক্তদান শিবিরের মূল লক্ষ্য
জেলা সহ-সভাপতি রাজু দাস সংবাদমাধ্যমকে জানান,
“মহেশতলা যুব মোর্চার পক্ষ থেকে এটি আমাদের প্রথম বৃহৎ রক্তদান শিবির। সরকারি হাসপাতালে যাতে দরিদ্র ও সাধারণ মানুষ সহজেই বিনামূল্যে রক্ত পান, সেই উদ্দেশ্যেই এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আমাদের প্রত্যাশাকেও ছাড়িয়ে গেছে।”
তার বক্তব্যে স্পষ্ট, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য ছিল রক্তের সংকট মোকাবিলা এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো।
দেখুন ভিডিও
মহেশতলা রক্তদান শিবিরে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা
এই মানবিক কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন—
- সোমা ঘোষ
- মান্তা কুমার
- দেবাংশু পান্ডা
- রাকেশ সিং
- তমনাথ ভৌমিক
- পিন্টু ভট্ট
- তমাল সেনাপতি
- জেমস হাসপাতালের কর্ণধার জগন্নাথ গুপ্তা
- রাজু দাস
- বিজেপি যুব মোর্চার অন্যান্য নেতৃত্ব ও স্থানীয় কর্মীরা
তাঁদের উপস্থিতি কর্মসূচিকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে।
![]()
মহেশতলা রক্তদান শিবির নিয়ে সাধারণ মানুষের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া
স্থানীয় বাসিন্দারা এই উদ্যোগকে মানবিক এবং সময়োপযোগী বলে প্রশংসা করেছেন। রাজ্যজুড়ে যখন রক্তের চাহিদা বেড়েছে, তখন এই ধরনের স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির সমাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলেই মত অনেকের।
মহেশতলা রক্তদান শিবির শুধু একটি সামাজিক কর্মসূচি নয়, বরং মানবতার সেবায় যুব সমাজের দায়িত্ববোধের উজ্জ্বল উদাহরণ। ২০০-র বেশি মানুষের স্বেচ্ছায় রক্তদান প্রমাণ করেছে, সচেতনতা ও সম্মিলিত উদ্যোগ থাকলে রক্তের সংকট অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। ভবিষ্যতেও এমন উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।