মহেশতলায় ১০ হাজার কণ্ঠে গীতা পাঠ (Maheshtala Gita Path)
মহেশতলায় ১০ হাজার কণ্ঠে গীতা (Maheshtala Gita Path) পাঠকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। বাংলার আধ্যাত্মিক চেতনাকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার প্রচার ও চর্চার বার্তা নিয়ে এগিয়ে চলেছে সনাতন সংস্কৃতি সংসদ। আগামী ২৩ আগস্ট, রবিবার, মহেশতলায় প্রায় ১০ হাজার কণ্ঠে শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা (Maheshtala Gita Path) পাঠ অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। এই বৃহৎ ধর্মীয় অনুষ্ঠানে হাজার হাজার ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীর উপস্থিতি প্রত্যাশা করছেন আয়োজকরা।
![]()
দেখুন ভিডিও
মাঠ পরিদর্শনে সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্ব
সম্প্রতি অনুষ্ঠানস্থল ও মাঠ পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন সনাতন সংস্কৃতি সংসদের কার্যকরী সম্পাদক স্বামী নিগুনানন্দজী মহারাজ, যুগ্ম সম্পাদক শ্রী জগদ্ধার্থীয়া দাস এবং সংগঠনের অন্যান্য প্রতিনিধিরা। তাঁরা অনুষ্ঠানস্থলের সার্বিক প্রস্তুতি, প্যান্ডেল, মঞ্চ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং দর্শনার্থীদের সুবিধা নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করেন।

গীতা পাঠের এই উদ্যোগের সূচনা
সংগঠনের যুগ্ম সম্পাদক শ্রী জগদ্ধার্থীয়া দাস জানান, ২০২২ সালে মায়াপুর থেকে শুরু হওয়া এই গীতা পাঠের উদ্যোগ বর্তমানে বাংলার বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে। তাঁর মতে, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, ঋষি অরবিন্দ এবং স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বাংলায় নতুন করে আধ্যাত্মিক জাগরণের পরিবেশ তৈরি হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, স্থানীয় গীতা প্রেমীদের আন্তরিক সহযোগিতা এবং প্রশাসনের সমর্থনেই মহেশতলায় এই বৃহৎ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হতে চলেছে।
![]()
২৩ আগস্ট মহেশতলায় ১০ হাজার কণ্ঠে গীতা পাঠ (Maheshtala Gita Path)
মহেশতলায় ১০ হাজার কণ্ঠে গীতা পাঠ (Maheshtala Gita Path) আগামী ২৩ আগস্ট (রবিবার) অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে শুরু হবে এই পবিত্র অনুষ্ঠান।
এই কর্মসূচিতে—
- সহযোগিতায়: বিশ্ব হিন্দু পরিষদ, মহেশতলা প্রখণ্ড
- ব্যবস্থাপনায়: মহেশতলা হ্যান্ডিক্যাপ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন
- পরিচালনায়: সনাতন সংস্কৃতি সংসদ
সংগঠনের সভাপতি স্বামী প্রদীপ্তানন্দজী মহারাজের (কার্তিক মহারাজ) নির্দেশনায় এই বৃহৎ কর্মসূচির পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক শ্রী সুমন ভট্টাচার্য ।
![]()
নিরাপত্তা, প্যান্ডেল ও প্রসাদ বিতরণে বিশেষ প্রস্তুতি
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যেই মাঠ পরিদর্শনের পাশাপাশি প্যান্ডেল নির্মাণ, মঞ্চসজ্জা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ এবং প্রায় ১০ হাজার ভক্তের জন্য প্রসাদ বিতরণের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে। অনুষ্ঠানকে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে বিভিন্ন দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিটিও কাজ শুরু করেছে।
![]()
আধ্যাত্মিক জাগরণের এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত
আয়োজকদের বিশ্বাস, মহেশতলায় ১০ হাজার কণ্ঠে গীতা পাঠ (Maheshtala Gita Path) শুধু একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি বাংলার আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক চেতনার এক অনন্য প্রকাশ হয়ে উঠবে। হাজারো ভক্ত একসঙ্গে শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা পাঠের মাধ্যমে সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও নৈতিক মূল্যবোধের বার্তা পৌঁছে দেবেন।
সনাতন ধর্মের চিরন্তন বাণীকে হৃদয়ে ধারণ করে এই মহাযজ্ঞে অংশগ্রহণের জন্য সকল ভক্ত, গীতা অনুরাগী এবং শুভানুধ্যায়ীদের আন্তরিক আহ্বান জানিয়েছেন আয়োজকরা।
![]()